Tuesday, February 11, 2014

বাথরুম রাখুন ঝকঝকে পরিষ্কার

একটি পরিষ্কার ও ঝকঝকে বাথরুম ঘরের শোভা বাড়িয়ে দেয় বহু গুনে। বাথরুম পরিষ্কার থাকলে যে কেউ সেটা ব্যবহার করতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন। সেই সঙ্গে ঘরের মানুষজনের রুচি বোধ ও প্রকাশ পায় বাথরুমের সৌন্দর্য্য ও পরিচ্ছন্নতার মাধ্যমে।
নিজের বাড়ির বাথরুম গুলোর দিকে একটুখানি নজরদারি করলেই বাথরুম গুলোকে রাখা যায় সুন্দর ও ঝকঝকে। আসুন জেনে নেয়া যাক পরিষ্কার ও ঝকঝকে বাথরুমের জন্য কিছু পরামর্শ।
  • প্রতিদিন হালকা গরম পানিতে গুড়া সাবান মিশিয়ে বাথরুমের মেঝে মুছে ফেলুন। এতে বাথরুমের মেঝে ঝকঝকে থাকবে।
  • বাথরুমে সব সময় সাদা টাওয়েল ব্যবহার করুন। প্রতি ২/৩ দিন ব্যবহারের পরেই গরম পানিতে কাপড় ধোয়ার সোডা মিশিয়ে টাওয়েল গুলো ধুয়ে পরিষ্কার করে ফেলুন। তাহলে ধবধবে সাদা থাকবে সেগুলো।
  • বাথরুম থেকে অব্যবহৃত শ্যাম্পু, সাবান, হ্যান্ড ওয়াশ, কন্ডিশনার ও অন্যান্য অপ্রয়োজনীয় বোতল ফেলে দিন।
  • সাবান দানি ব্রাশ দিয়ে ঘষে পরিষ্কার করে ফেলুন কয়েকদিন পরপরই। নাহলে সেটাতে সাবান লেগে ময়লা হয়ে থাকে যা অস্বাস্থ্যকর।
  • প্রতি এক বছর পর পর বাথরুম পরিষ্কার করার ব্রাশ বদলে ফেলুন। এগুলো পুরানো হয়ে গেলে বাথরুম ঠিক মত পরিষ্কার হয় না।
  • টাইলসের ফাঁকের ময়লা পরিষ্কার করতে প্রথমে বাথরুমের মেঝে ভিজিয়ে নিন। এরপর পুরানো টুথব্রাশে একটু গুড়া সাবান লাগিয়ে ভালো করে ঘষে নিন টাইলসের ফাঁকে আটকে থাকা ময়লা গুলো। এরপর হালকা গরম পানি দিয়ে বাথরুম ধুয়ে ফেলুন।
Read More ... »

ওজন কমানোর ওষুধ ব্যবহারে সতর্ক থাকুন!

দেহের ওজন বেড়ে গেলে মানুষের কতোই না চিন্তা! তাই অনেকেই ব্যবহার করে থাকেন বিভিন্ন ধরণের ওষুধ। গবেষকরা বলছেন, ওজন কমানোর এধরণের ওষুধের ব্যপারে আমাদের সতর্ক হওয়া উচিত। এসব ওষুধের মানুষের হার্ট বা হৃদযন্ত্রের উপর কোন বিরূপ প্রতিক্রিয়া আছে কিনা সে বিষয়ে তারা নিশ্চিত নন।
২০১২ সালে আমেরিকার ফুড এন্ড ড্রাগ এডমিনিস্ট্রেশন ওজন কমানোর জন্য দুটি ওষুধের অনুমোদন দেয়। একটি নাম হচ্ছে ‘বেলভিক’ (lorcaserin hydrochloride) ও অন্যটি হচ্ছে Qsymia (phentermine-topiramate)। দেখা গিয়েছে, এ ওষুধগুলো হয়তো ওজন হ্রাসে কিছুটা হলেও সাহায্য করে কিন্তু একইসাথে এদের রয়েছে মারাত্মক সব পার্শ্ব প্রক্রিয়া। যেমন-স্মৃতিশক্তিহ্রাস, মনোযোগের অভাব, দেহের অভ্যন্তরীন তরলে এসিডের মাত্রা বৃদ্ধি।১০ ফেব্রুয়ারি 2014
JAMA Internal Medicine এর সম্পাদকীয়তে এসব তথ্য দেয়া হয়। গবেষকরা জানান, হার্টের উপর এসব ওষুধের বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সরাসরি কোন প্রমাণ না পাওয়া গেলেও ফেন্টারমাইন (দ্বিতীয় ওষুধটির উপাদান) নামের উপাদানের মানুষের হৃদস্পন্দনের হার বাড়িয়ে দেয়ার ক্ষমতা রয়েছে। এর আগেও বেশ কিছু ওজন কমানোর ওষুধ বাজার থেকে প্রত্যাহার করে নেয়া হয় কারণ এসব ওষুধ হৃদরোগ ও মস্তিষ্কের রক্তক্ষরণের ঝুঁকি সৃষ্টি করে বলে আশঙ্কা তৈরি হয়।
Read More ... »

Thursday, February 9, 2012

সিগারেট খাচ্ছেন ??? তাহলে জেনে নিন কী খাচ্ছেন !

আপনি সিগারেটে আসক্ত ? সিগারেট ছাড়া থাকতে পারেন না ?? আপনি কী জানেন যে আপনি কী খাচ্ছেন ? হয়তো বা বলবেন আমার সিগারেট খাওয়া নিয়ে তোমার অসুবিধা কী ? তবে আমি বাজি ধরে বলতে পারি যে সিগারেটখোর মানুষদের হার্ট চমকে যাবে এ পোষ্টটি পড়লে। চলুন প্রথমে একটি ছবি দেখে নেই... এবার দেখি সিগারেটে কী কী আছেঃ ১.ক্যাডমিয়াম ২.স্টেরিক এসিড ৩.হেক্সামিন ৪.টলুইন ৫.নিকোটিন ৬.অ্যামোনিয়া৭.রঙ..রঙ ৮.মিথানল ৯.কার্বন মনোক্সাইড ১০.আর্সেনিক১১.মিথেন ১২.এসিটিক এসিড ১৩.বুটেন এই তেরোটি উপাদান বিশিষ্ট দ্রব্য হলো সিগারেট। এবার চলুন দেখে আসি এই তেরোটি দ্রব্য কী কাজে ব্যাবহৃত হয়। ১.ক্যাডমিয়ামঃ ক্যাডমিয়াম হলো ব্যাটারীতে ব্যাবহৃত উপাদান। এটি একটি ধাতু এবং মানব শরীরের জন্য অত্যান্ত ক্ষতিকর। ২.স্টেরিক এসিডঃ মোমবাতি দেখেছেন তো ?? মোমবাতির রাসায়নিক উপাদান যখন বাতাসের অক্সিজেন এর সাথে বিক্রিয়া করে দাহন কার্য সম্পন্ন করে, অর্থাৎ সলতে তে আগুন দেওয়ার পর মোমবাতি যখন জ্বলে তখন উচ্ছিষ্ট হিসেবে এই এসিড তৈরি হয়। এই এসিড এ কার্বনের মাত্রা প্রচুর। ৩.হেক্সামিনঃ এটি একটি দাহ্য পদার্থ যা আগুন জ্বালাতে সাহায্য করে। ৪.টলুইনঃ টলুইন একটি হাইড্রোকার্বন অর্থাৎ জ্বালানি গ্যাস। তবে টলুইনের ব্যাবহার ব্যাপক এটি রঙ এ, ছাপার কালিতে, আঠা তৈরিতে, সিমেন্ট রঙ করতে, পারমানবিক চুল্লিতে ব্যাবহার হয়। এটি হয়তোবা আপনার ফুসফুসের ভিতরে একটি রঙিন আস্তরন বসিইয়ে দিবে। ৫.নিকোটিনঃ সিগারেটের ক্ষতিকারক দ্রব্যগুলোর মধ্য সবচেয়ে পরিচিত হচ্ছে এই নিকোটিন। কখনো পোকা মারার স্প্রে দেখেছেন ??? সেই স্প্রে তৈরিতে ব্যাবহৃত হয় এই নিকোটিন। মানব দেহকে একই ভাবে নিস্ক্রিয় করতে এই বিষাক্ত পদার্থ সমান ভাবে কার্যকর। ৬.অ্যামোনিয়াঃ ডাষ্টবিনের পাশে হেটে গেলে যেই দুর্গন্ধ হয় তা এই অ্যামোনিয়ার জন্য। হারপিক বা এই জাতীয় টয়লেট ক্লিনার তৈরির মূল উপাদান গুলোর একটি হচ্ছে এই অ্যামোনিয়া। ৭.রঙঃ রঙ সম্পর্কে তেমন কিছু বলার নেই। সিগারেটের ফিল্টারে যেই রঙ থাকে তা মুখে দেওয়ার জন্য অনুপোযোগী কিন্তু সিগারেট খেতে হলে তা মুখে নিতেই হয়। ৮.মিথানলঃ রকেট চালানোর জন্য যেই জ্বালানি ব্যাবহৃত হয় তা হলো এই মিথানল। ৯.কার্বন মনোক্সাইডঃ কার্বন মনোক্সাইড নামটা অচেনা থাকার কথা নয়। আমি এটাকে সরাসরি বিষ বলেই আখ্যায়িত করব। কারন, কার্বন মনোক্সাইডের বিক্রিয়া নিয়ে আপনারা পড়েই থাকবেন। ১০.আর্সেনিকঃ চিনেন নিশ্চয়ই ! ১১.মিথেনঃ বাড়িতে গ্যাসের চুলা দেখেছেন তো ?? কেউ কেউ হয়তোবা ব্যাবহারো করেছেন। যেই গ্যাসটি দিয়ে আপনি রান্না করছেন সেই গ্যাসটি হচ্ছে এই মিথেন। বহুল ব্যাবহৃত এই হাইড্রোকার্বন গ্যাসটি যে মানব শরীরের জন্য কী ধরনের ভূমিকা রাখতে পারে তা তো জানেনই। ১২.এসিটিক এসিডঃ ভিনেগার দেখেছেন তো। একবার কাঁচা ভিনেগার খেয়ে দেখুন কেমন লাগে। এই বিদঘুটে স্বাদওয়ালা জিনিসটার মূল উপাদান হচ্ছে এই এসিটিক এসিড। ১৩.বুটেনঃ সিগারেট খেলে তো লাইটার জ্বালিয়ে থাকবেন। আর এই লাইটারে ব্যাবহৃত বুটেনটা কিন্তু আপনার ফুসফুসেই ঢুকছে। এরপর একবার ভেবে দেখুন আপনি কী আর সিগারেট খাবেন ???? collect from "somewhere blog"
Read More ... »

এলিয়েন যে কারণে পৃথিবীতে আসেনি

কেমন আছেন সবাই? আশা করি ভাল আছেন। অবান্তর ভূলের জন্য প্রথমেই ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি। আমি আপনাদের সাথে একটি খবর শেয়ার করতে যাচ্ছি। মুলত আমি খবরটি পত্রিকাতে দেখেছি। ভাবলাম আপনাদের সাথেও শেয়ার করি। এখন মুল কথায় আসা যাক। এলিয়েন কি আসলেই আছে? মানুষের মতো বোধসম্পন্ন প্রাণী অন্য গ্রহে আছে কি নেই এ নিয়ে বিজ্ঞানের গবেষণার অন্ত নেই। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় বলা হয়েছে- বোধসম্পন্ন প্রাণী শুধুই মানুষ, এলিয়েন বা অন্য কিছু নেই বা তারা আছে তবে মানুষকে অবজ্ঞা করে দুরে সরে থাকছে। মানুষকে একা থাকার সুযোগ দিচ্ছে। ডিসকভারি নিউজকে এসব কথা বলেছেন, ফ্লোরিডা গালফ বোস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিতবিদ থমাস হেয়ার। এলিয়েনের পৃথিবীতে না আসার কারণ- সম্পদ জমা করা ও প্রযুক্তি না জানা। এ কারণে তারা নিজেদের দেশ ত্যাগ করার ও অন্যগ্রহে ভ্রমণ করার নিয়ম জানে না। তবে তাদের গতি অনুযায়ী ৫০০ বছরের মধ্যে এলিয়েন তাদের পার্শ্ববর্তী কোন গ্রহে এসে বসতি গড়বে বলে মনে করেন থমাস হেয়ার। তিনি মনে করেন, হতে পারে এলিয়েন মানুষকে অতিক্রম করে চলে গেছে, অথবা তারা তাদের গ্রহকে নিজেদের প্রকৃত আবাসস্থল মনে করে। যার বাইরে তাদের কোন প্রয়োজন নেই। পৃথিবী তাদের দরকারি নক্ষত্রপুঞ্জের ভেতরে না হওয়ার একটি কারণ হতে পারে, তাদের যা দরকার তা আমাদের কাছে নেই। সম্ভবত প্রাচীন সভ্যতা বায়োলজিক্যাল নয়। পৃথিবীর মতো স্থান হয়তো তাদের প্রয়োজন নেই। এখানে আসা ও আমাদের পানির প্রয়োজন তাদের নেই। তাদের গ্রহ সম্ভবত সৌরজগতের বাইরে। যেখানে অভিকর্ষ ও আকর্ষণ শক্তি খুব একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নয়। তারা যা চায় তাই পায়। এ জন্যই এলিয়েনের পদচারণা হচ্ছে না পৃথিবীতে।
Read More ... »

Wednesday, February 8, 2012

Saturday, November 29, 2008

Esmaeel

My name is Ismail. I m a student.My contact number # +8801813213232. I m reading teknaf degree college.I m from Bangladesh.
Read More ... »
Powered By Blogger

Now Here

Online Chat

Blog Archive